Kitab al-Fitan (Nu'aym ibn Hammad) 1200
ما يكون بعد المهديKitab al-Fitan of Nu'aym ibn Hammad: ungraded, and weak overall. Never established on its own.
حدثنا الوليد، عن أبي عبد الله مولى بني أمية، عن محمد ابن الحنفية، قال: «ينزل خليفة من بني هاشم بيت المقدس يملأ الأرض عدلا، يبني بيت المقدس بناء لم يبن مثله، يملك أربعين سنة، تكون هدنة الروم على يديه في سبع سنين بقين من خلافته، ثم يغدرون به، ثم يجتمعون له بالعمق، فيموت فيها غما، ثم يلي بعده رجل من بني هاشم، ثم تكون هزيمتهم، وفتح القسطنطينية على يديه، ثم يسير إلى رومية فيفتحها، ويستخرج كنوزها ومائدة سليمان بن داود عليهما السلام، ثم يرجع إلى بيت المقدس فينزلها، ويخرج الدجال في زمانه، وينزل عيسى ابن مريم عليه السلام فيصلي خلفه»
A caliph from the Banu Hashim will descend on Jerusalem and fill the earth with justice. He will build Jerusalem a building that has never been built before. He will rule for forty years. The Roman truce will be under his control for seven years remaining in his caliphate. Then they will betray him, then they will gather for him in the depths, and he will die there in grief. Then a man from the Banu Hashim will follow after him, then their defeat will occur, and the conquest of Constantinople will be on his hands. Then he will go to Rome and conquer it, extracting its treasures and the table of Suleiman ibn David, peace be upon them, then returns to Jerusalem and descends there. The Dajjal will emerge in his time, and Jesus, son of Mary (peace be upon him), will descend and pray behind him.
الوليدautomatic reading, unverified
Hadith commentary (sharh)
No commentary matches.
হাদিসের ব্যাখ্যা ও তাত্ত্বিক পর্যালোচনা
ধ্রুপদী শরাহগ্রন্থ ও সনদ পর্যালোচনার আলোকে সংকলিত[সংকলন ও সূত্র]: এটি কিতাবুল ফিতান (নুআইম ইবনে হাম্মাদ)-এর 1200 নম্বর হাদিস।
[গ্রন্থ ও সনদের পর্যালোচনা]: এটি ইমাম নুআইম ইবনে হাম্মাদের 'কিতাবুল ফিতান'-এর একটি বর্ণনা। মুহাদ্দিসগণের নীতিমালা অনুযায়ী কিতাবুল ফিতানের একক বর্ণনাগুলো দলিল হিসেবে প্রামাণ্য নয় এবং সার্বিকভাবে দুর্বল বিবেচিত; তবে এর সাথে সহিহ হাদিসের মিল থাকলে তা সহায়ক হিসেবে উদ্ধৃত হয়।
[মূল বিষয়বস্তু]: দাজ্জাল (আল-মাসীহ আদ-দাজ্জাল, মিথ্যা মাসীহ) একজন নির্দিষ্ট মানুষ, যে শেষ সময়ে আবির্ভূত হয়ে নিজেকে রব দাবি করবে। প্রত্যেক নবী তাঁর উম্মতকে তার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন, আর নবী ﷺ বলেছেন, আদম (আ.)-এর সৃষ্টি থেকে কিয়ামত পর্যন্ত এর চেয়ে বড় ফিতনা নেই।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: সে এক যুবক, খাটো-মোটা গড়নের, ঘন কোঁকড়া চুল, ডান চোখ কানা, যেন ভেসে থাকা আঙুর। তার দুই চোখের মাঝে লেখা থাকবে কাফ-ফা-রা (কাফির), যা প্রত্যেক মুমিন পড়তে পারবে, লেখাপড়া জানুক বা না জানুক। সে জান্নাত ও জাহান্নামের মতো কিছু নিয়ে আসবে, কিন্তু তার জান্নাত আসলে আগুন আর তার আগুন আসলে শীতল পানি। সে আকাশকে বৃষ্টি দিতে বললে বৃষ্টি হবে। সে চল্লিশ দিন থাকবে: একদিন এক বছরের মতো, একদিন এক মাসের মতো, একদিন এক সপ্তাহের মতো, বাকিগুলো সাধারণ দিনের মতো। সে মক্কা ও মদিনায় প্রবেশ করতে পারবে না।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: বর্ণিত ক্রমে সে বড় আলামতগুলোর প্রথম। রোমানদের সাথে মহাযুদ্ধ ও কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের পরে সে আসবে, আর ঈসা (আ.) তাকে লুদের ফটকে হত্যা করবেন।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: সূরা কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করুন, জুমার দিন সূরা কাহফ পড়ুন, আর প্রতি নামাজে সালামের আগে দাজ্জালের ফিতনা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চান। যে তার কথা শুনবে, সে যেন তার থেকে দূরে থাকে।
[মূল বিষয়বস্তু]: মারইয়ামের পুত্র ঈসা (আ.)-কে হত্যা বা শূলে চড়ানো হয়নি; আল্লাহ তাঁকে নিজের কাছে তুলে নিয়েছেন। শেষ যুগে তিনি আবার অবতরণ করবেন, দাজ্জালকে হত্যা করবেন এবং মুহাম্মাদ ﷺ-এর শরিয়ত অনুযায়ী ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে শাসন করবেন।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: তিনি দামেস্কের পূর্ব দিকের সাদা মিনারের কাছে অবতরণ করবেন, পরনে জাফরান রঙের দুটি কাপড়, দুই ফেরেশতার ডানায় হাত রেখে। মাথা নিচু করলে মুক্তার মতো ফোঁটা ঝরবে। তিনি লুদের ফটকে দাজ্জালকে পেয়ে হত্যা করবেন। তিনি ক্রুশ ভাঙবেন, শূকর হত্যা করবেন, জিযিয়া তুলে দেবেন, সম্পদ এত বেশি হবে যে কেউ নেবে না। তিনি কিছুকাল পৃথিবীতে থাকবেন, বিয়ে করবেন, তারপর মারা যাবেন এবং মুসলিমরা তাঁর জানাজা পড়বে।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: তিনি অবতরণ করবেন দাজ্জালের চল্লিশ দিনের মধ্যে, মুসলিমরা যখন নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছে, আর তাঁর সময়েই ইয়াজুজ-মাজুজ বের হবে।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: নবী ﷺ বলেছেন: তোমাদের মধ্যে যে তাঁর সাক্ষাৎ পাবে, সে যেন তাঁকে আমার সালাম পৌঁছে দেয়।
[মূল বিষয়বস্তু]: আর-রুম বা রোমান বলতে নবী ﷺ-এর যুগে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যকে বোঝানো হতো। শেষ যুগের অনেক হাদিসে তাদের সাথে মুসলিমদের সম্পর্কের কথা আছে: সন্ধি, যৌথ যুদ্ধ, তারপর মহাযুদ্ধ।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: আমর ইবনুল আস (রা.) শুনলেন, কিয়ামত আসবে যখন রোমানরা সবচেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে, তখন তিনি তাদের ভালো গুণগুলো উল্লেখ করলেন: তারা বিপদে সবচেয়ে সহনশীল, দুর্যোগের পর সবচেয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায়, গরিব, এতিম ও দুর্বলের প্রতি সবচেয়ে সদয়, এবং রাজাদের জুলুম প্রতিরোধ করে।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: দাজ্জালের আগের পুরো সময় জুড়ে তাদের ভূমিকা: প্রথমে সন্ধি, তারপর যুদ্ধ, তারপর কনস্টান্টিনোপল বিজয়।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: আমর (রা.)-এর কথা ন্যায্যতা শেখায়: বিরোধের প্রসঙ্গেও অন্যের ভালো গুণ স্বীকার করা।
[মূল বিষয়বস্তু]: নবী ﷺ বলেছেন, মুসলিমরা রোমানদের সাথে নিরাপদ সন্ধি করবে এবং একসাথে এক অভিন্ন শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: তারা বিজয়ী হবে, গনিমত পাবে এবং এক সবুজ প্রান্তরে তাঁবু ফেলবে। খ্রিস্টানদের একজন ক্রুশ তুলে বলবে 'ক্রুশ জিতেছে', এক মুসলিম রেগে গিয়ে তা ভেঙে ফেলবে, আর রোমানরা সন্ধি ভঙ্গ করে মহাযুদ্ধের জন্য জড়ো হবে। আউফ ইবনে মালিক (রা.)-এর হাদিসে আছে, বনুল আসফারের সাথে সন্ধি হবে, তারপর তারা আশিটি পতাকার নিচে আসবে, প্রতিটির নিচে বারো হাজার সৈন্য।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: এই সন্ধি দিয়েই দাজ্জালের আগের সময়ের শুরু, আর এর পরেই মহাযুদ্ধ।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: প্রতিশ্রুতি রক্ষা ঈমানের অংশ। অপর পক্ষ ভঙ্গ না করা পর্যন্ত চুক্তি রক্ষা করতে হয়।
[মূল বিষয়বস্তু]: কনস্টান্টিনোপল, আজকের ইস্তাম্বুল, ছিল রোমানদের রাজধানী। নবী ﷺ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে মুসলিমরা এটি জয় করবে।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: সহিহ মুসলিমে আছে, মহাযুদ্ধের পর মুসলিমরা শহরে পৌঁছে অস্ত্র ছাড়াই তা জয় করবে: প্রথম 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার'-এ দেয়ালের এক পাশ ধসে পড়বে, দ্বিতীয়বারে অন্য পাশ, তৃতীয়বারে পথ খুলে যাবে। তারা যখন গনিমত ভাগ করছে, তখন চিৎকার উঠবে যে দাজ্জাল তাদের পরিবারের মধ্যে এসে পড়েছে।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: এই বিজয় হবে মহাযুদ্ধের ঠিক পরে এবং দাজ্জালের ঠিক আগে।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: শহরটি অস্ত্রে নয়, জিকিরে বিজিত হবে। 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার'-এর মূল্য আমাদের ধারণার চেয়ে বেশি।
[মূল বিষয়বস্তু]: নবী ﷺ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, তাঁর উম্মতের ধ্বংস কুরাইশের কিছু যুবকের হাতে আসবে, আর ত্রিশ বছরের খিলাফতের পর শাসন রাজতন্ত্রে পরিণত হবে। আলেমরা এগুলোকে উমাইয়া রাজবংশের (৪১-১৩২ হিজরি) সাথে যুক্ত করেন।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: আবু হুরায়রা (রা.) বলেছিলেন, চাইলে তিনি তাদের নাম বলতে পারেন। ইবনে হাজার প্রমুখ ব্যাখ্যা করেছেন, তিনি কিছু উমাইয়া শাসককে বুঝিয়েছেন, যাদের শুরু প্রায় ৬০ হিজরিতে, আর আবু হুরায়রা (রা.) এর আগেই মৃত্যুর দোয়া করতেন।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: এটি ছিল প্রথম হিজরি শতাব্দীতে, যা ইতিমধ্যে ঘটে গেছে।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: আবু হুরায়রা (রা.) 'ষাট সাল ও বালকদের শাসন' থেকে আশ্রয় চাইতেন। আল্লাহর কাছে ন্যায়পরায়ণ নেতা চান।
[ভৌগোলিক স্থান]: এই বর্ণনায় বর্ণিত স্থান : বায়তুল মাকদিস, কনস্টান্টিনোপল (ইস্তাম্বুল)।
Scholarly Commentary & Context
Synthesized commentary, isnad grading & cross-references[Collection & Reference]: Narration #1200 in Kitab al-Fitan (Nu'aym ibn Hammad).
[Scholarly Verification Notice]: Recorded in Nu'aym ibn Hammad's Kitab al-Fitan (d. 228 AH). Hadith scholars classify this historical compilation as ungraded and weak overall; its isolated reports are not accepted as established doctrine unless corroborated by standard Sahih works.
[Core Subject]: The Dajjal (al-Masih al-Dajjal, the false messiah) is a single man who will appear near the end and claim to be God. Every prophet warned his people about him, and the Prophet ﷺ called his trial the greatest from the creation of Adam until the Hour.
[Described Characteristics]: He is a young man, stocky, with thick curly hair, blind in his right eye, which looks like a floating grape. Between his eyes is written ka-fa-ra (kafir), which every believer can read, literate or not. He brings what looks like paradise and hell, but his paradise is fire and his fire is cool water. He orders the sky to rain and it rains. He stays forty days: one like a year, one like a month, one like a week, the rest like ordinary days. He cannot enter Makkah or Madinah.
[Timeline & Context]: In the narrated order he is the first of the great signs. He comes after the great battle with the Romans and the conquest of Constantinople, and Isa (AS) kills him at the gate of Lud.
[Prophetic Practice]: Memorise the first ten verses of Surah al-Kahf, read al-Kahf on Fridays, and in every prayer before the salam ask Allah's refuge from the trial of the Dajjal. Whoever hears of him should keep away from him.
[Core Subject]: Isa (Jesus, AS), son of Maryam, was not killed or crucified; Allah raised him up. Near the end of time he descends again, kills the Dajjal, and rules by the law of Muhammad ﷺ as a just ruler.
[Described Characteristics]: He descends at the white minaret east of Damascus, wearing two saffron-dyed garments, his hands on the wings of two angels. When he lowers his head, drops fall like pearls. He finds the Dajjal at the gate of Lud and kills him. He breaks the cross, kills the pig, abolishes the jizyah, and wealth becomes so plentiful no one accepts it. He lives on earth for a time, marries, then dies and the Muslims pray over him.
[Timeline & Context]: He descends during the Dajjal's forty days, just as the Muslims are getting ready for prayer, and Ya'juj and Ma'juj come out in his time.
[Prophetic Practice]: The Prophet ﷺ said: whoever of you meets him, convey my salam to him.
[Core Subject]: Al-Rum, the Romans, were the Byzantine Empire in the Prophet's time. Many narrations about the end speak of the Muslims' relations with them: a truce, a joint war, then the great battle.
[Described Characteristics]: Amr ibn al-As heard that the Hour will come when the Romans are the most numerous of people, and he listed their good qualities: they are the most forbearing in trial, the quickest to recover after a disaster, the best to the poor, orphans and the weak, and they resist the oppression of kings.
[Timeline & Context]: Their part runs through the whole time before the Dajjal: first the truce, then the war, then the conquest of Constantinople.
[Prophetic Practice]: Amr's words teach fairness: name the good in others even when speaking of conflict.
[Core Subject]: The Prophet ﷺ said the Muslims will make a secure peace with the Romans, and together they will fight a common enemy.
[Described Characteristics]: They win and take spoils, and camp in a green meadow. A man from the Christians raises the cross and says 'The cross has won', a Muslim gets angry and breaks it, and the Romans betray the truce and gather for the great battle. In the hadith of Awf ibn Malik, there will be a truce with the Banu al-Asfar, who then come under eighty banners with twelve thousand men under each.
[Timeline & Context]: This truce opens the time before the Dajjal, and the great battle follows it.
[Prophetic Practice]: Keeping one's word is part of faith. Treaties are kept until the other side breaks them.
[Core Subject]: Constantinople, today's Istanbul, was the capital of the Romans. The Prophet ﷺ foretold that the Muslims would conquer it.
[Described Characteristics]: In Sahih Muslim, after the great battle the Muslims reach the city and conquer it without weapons: at the first 'La ilaha illallah wallahu akbar' one side of its wall falls, at the second the other side, at the third the way opens. While they are dividing the spoils, a cry goes up that the Dajjal has come among their families.
[Timeline & Context]: The conquest comes right after the great battle and just before the Dajjal.
[Prophetic Practice]: The city falls to dhikr, not weapons. La ilaha illallah wallahu akbar is worth more than we think.
[Core Subject]: The Prophet ﷺ foretold that the ruin of his ummah would come at the hands of young men of Quraysh, and that rule would turn into kingship after thirty years of caliphate. Scholars connect these with the Umayyad dynasty (41-132 AH).
[Described Characteristics]: Abu Hurayrah said he could name them if he wished. Ibn Hajar and others explain that he meant certain Umayyad rulers, beginning around the year 60 AH, and Abu Hurayrah prayed to die before then.
[Timeline & Context]: This was in the first Islamic century, and it has already passed.
[Prophetic Practice]: Abu Hurayrah sought refuge from 'the year sixty and the rule of boys'. Ask Allah for just leaders.
[Geographical Locations]: Mentioned in narration : Baitul Maqdis (Jerusalem), Constantinople (Istanbul).
ধ্রুপদী মুহাদ্দিস ও ভাষ্যকারদের অভিমত
ইবনে হাজার, ইমাম নববী, ইবনে কাসীর, ইমাম কুরতুবী প্রমুখের বিশ্লেষণ[শায়খ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী] (আস-সিলসিলাতুস সহিহা, নং ৪): মনে করেন প্রথম বিজয়, অর্থাৎ কনস্টান্টিনোপল বিজয়, ৮৫৭ হিজরিতে (১৪৫৩ খ্রি.) সুলতান মুহাম্মাদ আল-ফাতিহের হাতে হয়েছে, আর রোম বিজয় এখনও বাকি।
[হাদিসের মূল পাঠ ও ভাষ্য] (সহিহ মুসলিম ২৮৯৭): মহাযুদ্ধের পর এবং দাজ্জালের আবির্ভাবের ঠিক আগে কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের বর্ণনা দেয়।
[ইমাম ইবনে কাসীর] (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, দালায়িলুন নুবুওয়াহ: বনু উমাইয়া সংক্রান্ত বর্ণনা): বনু উমাইয়ার শাসন সম্পর্কিত বর্ণনাগুলো একত্র করেছেন, এর অনেকগুলো দুর্বল বলে উল্লেখ করেছেন, এবং তাদের শাসনকে (৪১-১৩২ হিজরি) সংঘটিত হিসেবে লিপিবদ্ধ করেছেন।
[ইমাম জালালুদ্দীন আস-সুয়ূতী] (তারিখুল খুলাফা, উমাইয়া খলিফাগণ): ত্রিশ বছরের খিলাফতের পর উমাইয়া খিলাফতকে অতীত ইতিহাস হিসেবে পূর্ণাঙ্গ বর্ণনা করেছেন।
Attributed Scholarly Views
Attributed classical explanations from Ibn Hajar, al-Nawawi, Ibn Kathir & more[Shaykh Muhammad Nasiruddin Al-Albani] (al-Silsilah al-Sahihah, no. 4): Holds that the first conquest, of Constantinople, came in 857 AH (1453 CE) under Sultan Muhammad al-Fatih, and that the conquest of Rome is still to come.
[The Text of the Narration] (Sahih Muslim 2897): Describes a conquest of Constantinople after the great battle and just before the Dajjal appears.
[Imam Ibn Kathir] (al-Bidayah wa'l-Nihayah, Dala'il al-Nubuwwah: reports on Banu Umayyah): Collects the reports about the rule of Banu Umayyah, notes that many of them are weak, and records their rule (41-132 AH) as having come about.
[Imam Jalaluddin Al-Suyuti] (Tarikh al-Khulafa', the Umayyad caliphs): Narrates the Umayyad caliphate in full as past history after the thirty years of caliphate.
al-Nihaya fi al-Fitan : Ibn Kathir
Hafiz Ibn Kathir (d. 774 AH) · Classical Fitan Compilationحديث النواس بن سمعان الكلابي في معناه وأبسط منه
قال مسلم: حدثني أبو خيثمة زهير بن حرب، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثني ابن جبير، عن أبيه ابن نفير الحضرمي أنه سمع النواس بن
سمعان الكلابي، وحدثني محمد بن مهران الرازي واللفظ له، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا عبد الرحمن بن زيد بن جابر الطائي، عن يحيى بن جابر الطائي، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن أبيه جبير بن نفير، عن النواس بن سمعان قال: ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الدجال ذات غداة فخفض1 فيه ورفع يتى ظنناه في طائفة النخل، فلما رحنا إليه عرف ذلك فينا فقال: "ما شأنكم?" قلنا: يا رسول الله ذكرت الدجال غداة فخفضت فيه ورفعت حتى ظنناه في طائفة النخل, فقال:
"غير الدجال أخوفني 2 عليكم إن يخرج وأنا فيكم فأنا حجيجه دونكم، وإن يخرج ولست فيكم فكل امرىء حجيج نفسه والله خليفتي على كل امرىء مسلم. إنه شاب قطط3 عينه طافية إني أشبهه بعبد العزى ابن قطن من أدركه منكم فليقرأ عليه فواتح سورة الكهف إنه خارج في خلة 4 بين الشام والعراق فعائث يمينا وعائث شمالا يا عباد الله فاثبتوا" قلنا: يا رسول الله وما لبثه في الأرض؟ قال: "أربعون يوما? يوم كسنة، ويوم كشهر، ويوم كجمعة، وسائر أيامه كأيامكم". قلنا: يا رسول الله فذلك اليوم الذي كسنة أتكفينا فيه صلاة يوم? قال: "لا: اقدروا 5 له قدره" قلنا: يا رسول الله, وما إسراعه في الأرض؟ قال: "كالغيث استدبرته الريح? فيأتي على القوم فيدعوهم فيؤمنون به ويستجيبون له فيأمر السماء فتمطر والأرض فتنبت فتروح عليهم
سارحتهم أطول ما كانت ذرا وأسبغه ضروعا وأمده خواصر، ثم يأتي القوم فيدعوهم فيردون قوله فينصرف عنهم فيصبحون ممحلين ليس بأيديهم من أموالهم شيء، ويمر بالخربة فيقول: أخرجي كنوزك فتتبعه كنوزها كيعاسيب 1 النحل، ثم يدعو رجلا ممتلئا شبابا فيضربه بالسيف فيقطعه جزلتين 2 رمية الغرض? ثم يدعوه فيقبل يتهلل وجهه وهو يضحك? فبينما هو كذلك إذ بعث الله المسيح ابن مريم فينزل عند المنارة البيضاء شرقي دمشق في مهروذتين 3 واضعا كفيه على أجنحة ملكين إذا طأطأ رأسه قطر وإذا رفعه تحدر منه جمان كاللؤلؤ، ولا يحل 4 لكافر يجد ريح نفسه إلا مات، ونفسه ينتهي حيث ينتهي طرفه، فيطلبه حتى يدركه بباب لد 5 فيقتله، ثم يأتي عيسى ابن مريم قوما قد عصمهم الله منه فيمسح عن وجوههم ويحدثهم عن درجاتهم في الجنة، فبينما هو كذلك إذ أوحى الله تعالى إلى عيسى إني قد أخرجت عبادا لي لا يدان6. لأحد بقتالهم فحرز7 عبادي إلى الطور، ويبعث الله يأجوج ومأجوج وهم من كل حدب ينسلون، فيمر أوائلهم على بحيرة الطبرية فيشربون ما فيها، ويمر آخرهم فيقولون لقد كان بهذه مرة ماء، ويحضر نبي الله عيسى وأصحابه
حتى يكون رأس الثور لأحدهم خيرا من مائة دينار لأحدكم اليوم فيرغب نبي الله عيسى وأصحابه إلى الله فيرسل الله إليهم النغف 1 في رقابهم فيصبحون فرسى 2 كموت نفس واحدة، ثم يهبط نبي الله عيسى وأصحابه إلى الأرض فلا يجدون موضع شبر إلا ملأه زهمهم 3 ونتنهم فيرغب نبي الله عيسى وأصحابه إلى الله فيرسل الله طيرا كأعناق البخت فتطرحهم حيث شاء الله ثم يرسل الله مطرا لا يكن 4 منه بيت ولا وبر، فيغسل الله الأرض حتى يتركها كالزلفة 5، ثم يقال للأرض أنبتي ثمرتك وردي بركتك? فيومئذ تأكل العصابة 6 من الرمانة ويستظلون بقحفها 7 ويبارك في الرسل 8، حتى إن اللقحة من الإبل لتكفي الفئام 9 من الناس، واللقحة من البقر لتكفي القبيلة من الناس، واللقحة من الغنم لتكفي الفخذ من الناس، فبينما هم كذلك إذ بعث الله ريحا طيبة فتأخذهم تحت آباطهم، فتقبض روح كل مؤمن وكل
مسلم، ويبقى شرار الناس يتهارجون 1 فيها تهارج الحمر فعليهم تقوم الساعة2".
حدثني علي بن حجر السعدي، حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر والوليد بن مسلم قال ابن حجر: دخل حديث أحدهما في حديث الآخر عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر بهذا الإسناد نحو ما ذكرناه وزاد بعد قوله: "لقد كان بهذه مرة ماء"
"ثم يسيرون حتى ينتهوا إلى جبل الخمر 3 وهو جبل بيت المقدس فيقولون لقد قتلنا من في الأرض هلم 4 فلنقتل من في السماء فيرمون بنشابهم 5 لى السماء فيرد الله عليهم نشابهم مخضوبة دماء".
وفي رواية ابن حجر:
"فإني قد أنزلت عبادا لي لا يد لأحد بقتالهم" انتهى.
رواه مسلم إسنادا ومتنا، وقد تفرد به عن البخاري، ورواه الإمام أحمد بن حنبل في مسنده عن الوليد بن مسلم بإسناده نحوه، وزاد في سياقه بعد قوله: "فيطرحهم الله حيث شاء". قال ابن حجر: فحدثني عطاء بن يزيد السكسكي عن كعب أو غيره قال: "فيطرحهم بالمهبل" قال ابن جابر وأين المهبل؟ قال: "مطلع الشمس".
ورواه أبو داود، عن صفوان بن عمرو المؤذن، عن الوليد بن مسلم ببعضه. ورواه الترمذي، عن علي بن حجر وساقه بطوله وقال غريب حسن صحيح لا نعرفه إلا من حديث ابن جابر، ورواه النسائي في فضائل القرآن عن علي بن حجر مختصر، ورواه ابن ماجه عن هشام بن عمار عن يحيى بن حمزة عن عبد الرحمن عن زيد بن جابر بإسناده قال:
"سيوقد الناس من قسي يأجوج ومأجوج ونشابهم وتروسهم سبع سنين".
وذكره قبل ذلك بتمامه عن هشام بن عماد ولم يذكر فيه هذه القصة، ولا ذكر في إسناده عن جابر الطائي حديث عن أبي أمامة الباهلي صدي بن عجلان في معنى حديث النواس بن سمعان. …
Mirqat al-Mafatih : Mulla 'Ali al-Qari
Mulla 'Ali al-Qari (d. 1014 AH) · Mishkat al-Masabih5475 - «وعن النواس»
: بتشديد الواو «بن سمعان»
: بكسر السين وتفتح، «قال: ذكر رسول الله - صلى الله تعالى عليه وسلم - الدجال»
أي: خروجه وسائر أموره وابتلاء الناس به، (فقال: " إن يخرج وأنا فيكم ") أي: موجود فيما بينكم فرضا وتقديرا «فأنا حجيجه»
: فعيل بمعنى الفاعل، من الحجة وهي البرهان أي: غالب عليه بالحجة، (دونكم ") أي: قدامكم، ودافعه عنكم وأنا إمامكم وأمامكم، وفيه إرشاد إلى أنه - صلى الله تعالى عليه وسلم - كان في المحاجة معه غير محتاج إلى معاونة معاون من أمته في غلبته عليه بالحجة، كذا ذكره الطيبي - رحمه الله - والأظهر أنه - صلى الله تعالى عليه وسلم - يدفعه بنور النبوة، ويدفع خارق عادته الباطل بمعجزاته المقرونة بالحق من غير دليل وبرهان ; لأن بطلانه أظهر من الشمس عند أرباب العرفان، وأيضا هو من المصممين على الباطل من دعوته، ولم يلتفت إلى المجادلة وإثبات الأدلة، وإلا فيحمد الله سبحانه من يوجد في الأمة من يحقق الملة بالحجة، لا سيما خاتمة الأولياء وهو المهدي وزبدة الأنبياء وهو عيسى - عليه الصلاة والسلام - وحاصله: أنه لا ينفع معه الكلام، فدفعه إما بإعدامه مع وجود سيد الأنام، أو بذوبانه، وقتله على يد عيسى - عليه الصلاة والسلام - هذا ما ظهر لي في هذا المقام، والله سبحانه وتعالى أعلم بالمرام.
قال التوربشتي رحمه الله، فإن قيل: أو ليس قد ثبت في أحاديث الدجال أنه يخرج بعد خروج المهدي، وأن عيسى - عليه الصلاة والسلام - يقتله، إلى غير ذلك من الوقائع الدالة على أنه لا يخرج ونبي الله بين أظهرهم، بل لا تراه القرون الأولى من هذه الأمة، فما وجه قوله: إن يخرج وأنا فيكم؟ قلت: إنما سلك هذا المسلك من التورية ; لإبقاء الخوف على المكلفين من فتنه واللجأ إلى الله تعالى من شره ; لينالوا بذلك من الله ; ويتحققوا بالشح على دينهم. وقال المظهر: يحتمل أن يريد تحقق خروجه، والمعنى: لا تشكوا في خروجه، فإنه سيخرج لا محالة، وأن يريد به عدم علمه بوقت خروجه، كما أنه كان لا يدري متى الساعة.
قال الطيبي - رحمه الله: والوجه الثاني من الوجهين هو الصواب ; لأنه يمكن أن يكون قوله هذا قبل علمه - صلى الله تعالى عليه وسلم - بذلك. أقول: كان حقه أن يقول هو الظاهر ; ليطابق تعليله بقوله: لأنه يمكن، إذ مع الإمكان لا يقال في حق أحدهما هو الصواب ; لاحتمال الخطأ في كل واحد منهما، والله تعالى أعلم بالصواب، وخلاصة المعنى: أني إن كنت فيكم فأكفيكم شره وقت خروجه، (وإن يخرج ولست فيكم فامرؤ حجيج نفسه ") : بالرفع أي: فكل امرئ يحاجه ويحاوره ويغالبه لنفسه، كذا قاله الطيبي - رحمه الله - أي: ليدفع شره عن نفسه بما عنده من الحجة، كما قاله ابن الملك، لكن هذا على تقدير أنه يسمع الحجة، وإلا فالمعنى أن كل أحد يدفع عن
نفسه شره بتكذيبه واختيار صورة تعذيبه، «والله خليفتي على كل مسلم»
، يعني: والله سبحانه وتعالى ولي كل مسلم وحافظه، فيعينه عليه ويدفع شره، وهذا دليل على أن المؤمن الموقن لا يزال منصورا، وإن لم يكن معه نبي، ولا إمام ; ففيه رد على الإمامية من الشيعة، (" إنه ") أي: الدجال، وهو استئناف بيان لبعض أحواله، وتبيان لبعض ما يفيد في دفع شر أفعاله، (" شاب) : فيه إشعار بأنه غير ابن الصياد، وإيماء إلى أنه محروم من بياض الوقار، وثابت على اشتداد السواد في الظاهر، الذي هو عنوان الباطن من سواد الفؤاد، (" قطط ") : بفتح القاف والطاء، أي: شديد جعودة الشعر، وفيه إيماء إلى استحباب تسريح الشعر دفعا للمشابهة بالهيئة البشيعة، (" عينه طافية ") بالياء ويهمز أي: مرتفعة، «كأني أشبهه»
: بتشديد الموحدة، أي: أمثله (" بعبد العزى ") : بضم العين وتشديد الزاي، «بن قطن»
بفتحتين، وهو يهودي، قاله شارح.
وقال الطيبي - رحمه الله: قيل: إنه كان يهوديا، ولعل الظاهر أنه مشرك ; لأن العزى اسم صنم، ويؤيده ما جاء في بعض الحواشي: هو رجل من خزاعة، هلك في الجاهلية، ثم قال الطيبي - رحمه الله: لم يقل: إنه عبد العزى ; لأنه لم يكن - صلى الله تعالى عليه وسلم - جازما في تشبيهه به، قلت: لا شك في تشبيهه به، إلا أنه لما كان معرفة المشبه في عالم الكشف أو المنام عبر عنه بكأني كما هو المعتبر في تعبير حكاية الرؤيا، والله تعالى أعلم. ويمكن أن يقال: لما لم يوجد في الكون أقبح صورة منه، فلا يتم التشبيه من جميع الوجوه، بل ولا من وجه واحد ; عدل عن صيغة الجزم، وعبر عنه بما عبر عنه، ثم في صيغة الحال إشعار باستحضار صورة المآل. «فمن أدركه منكم فليقرأ عليه فواتح سورة الكهف»
أي: أوائلها إلى (كذبا) ; لدلالة تلك الآيات على معرفة ذات الله وصفاته، لكن لفظه: «من أدرك الدجال فليقرأ عليه خواتمها ; فإنها جوار له من فتنته هباء منثورا، وأن تابعه يدعو هلاكا وثبورا» .
قال الطيبي - رحمه الله: المعنى أن قراءته أمان له من فتنته، كما أمن تلك الفتية من فتنة دقيانوس الجبار.
«وفي رواية»
أي: لمسلم أيضا (" فليقرأ عليه بفواتح سورة الكهف ; فإنها جواركم من فتنته ") أي: بلية (الدجال) : والجوار بكسر الجيم، وفي آخره راء على ما في نسخة السيد والشيخ الجزري، وكثير من النسخ المصححة، وفي بعضها بفتح الجيم وزاي في آخره، وهو الصك الذي يأخذه المسافر من السلطان أو نوابه ; لئلا يتعرض لهم المترصدة في الطريق، واقتصر عليه شارح المصابيح، وذكره ابن الملك ثم قال: وفي بعض النسخ بكسر الجيم وبالراء، فمعناه حافظكم، انتهى. …
Tahqiq, Takhrij & Scholarly Notes
Classical verification, rijal assessment & parallel cross-matchesالتخريج والمصدر: أخرجه كتاب الفتن لنعيم بن حماد المروزي «ت ٢٢٨ هـ»
برقم (1200).
الباب في كتاب الفتن: ما يكون بعد المهدي (ج 2، ص 399).
منهج التعامل مع الأثر: هذا الأثر «مقطوع على التابعي أو من دونه»
مما أورده نعيم بن حماد في «كتاب الفتن»، وهو ديوان جمع فيه المصنف ما بلغه من الأخبار والآثار في الملاحم والفتن دون اشتراط الصحة؛ ففيه الصحيح والحسن والضعيف والمنكر والمقطوع، ولا يُحتج بما انفرَد به دون شاهد معتبر من دواوين السنة المسندة.
من كلام الحافظ ابن كثير في «النهاية في الفتن والملاحم» حول هذا الباب: حديث النواس بن سمعان الكلابي في معناه وأبسط منه
قال مسلم: حدثني أبو خيثمة زهير بن حرب، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثني ابن جبير، عن أبيه ابن نفير الحضرمي أنه سمع النواس بن
سمعان الكلابي، وحدثني محمد بن مهران الرازي واللفظ له، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا عبد الرحمن بن زيد بن جابر الطائي، عن يحيى بن جابر الطائي، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن أبيه جبير بن نفير، عن النواس بن سمعان قال: ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الدجال ذات غداة فخفض1 فيه ورفع يتى ظنناه في طائفة النخل، فلما رحنا إليه عرف ذلك فينا فقال: "ما شأنكم?" قلنا: يا رسول الله ذكرت الدجال غداة فخفضت فيه ورفعت حتى ظنناه في طائفة النخل, فقال:
"غير الدجال أخوفني 2 عليكم إن يخرج وأنا فيكم فأنا حجيجه دونكم، وإن يخرج ولست فيكم فكل امرىء حجيج نفسه والله خليفتي على كل امرىء مسلم. إنه شاب قطط3 عينه طافية إني أشبهه بعبد العزى ابن قطن من أدركه منكم فليقرأ عليه فواتح سورة الكهف إنه خارج في خلة 4 بين الشام والعراق فعائث يمينا وعائث شمالا يا عباد الله فاثبتوا" قلنا: يا رسول الله وما لبثه في الأرض؟ قال: "أربعون يوما? يوم كسنة، ويوم كشهر، ويوم كجمعة، وسائر أيامه كأيامكم". قلنا: يا رسول الله فذلك اليوم الذي كسنة أتكفينا فيه صلاة يوم? قال: "لا: اقدروا 5 له قدره" قلنا: يا رسول الله, وما إسراعه في الأرض؟ قال: "كالغيث استدبرته الريح? فيأتي على القوم فيدعوهم فيؤمنون به ويستجيبون له فيأمر السماء فتمطر والأرض فتنبت فتروح عليهم
سارحتهم أطول ما كانت ذرا وأسبغه ضروعا وأمده خواصر، ثم يأتي القوم فيدعوهم فيردون قوله فينصرف عنهم فيصبحون ممحلين ليس بأيديهم من أموالهم شيء، ويمر بالخربة فيقول: أخرجي كنوزك فتتبعه كنوزها كيعاسيب 1 النحل، ثم يدعو رجلا ممتلئا شبابا فيضربه بالسيف فيقطعه جزلتين 2 رمية الغرض? ثم يدعوه فيقبل يتهلل وجهه وهو يضحك? فبينما هو كذلك إذ بعث الله المسيح ابن مريم فينزل عند المنارة البيضاء شرقي دمشق في مهروذتين 3 واضعا كفيه على أجنحة ملكين إذا طأطأ رأسه قطر وإذا رفعه تحدر منه جمان كاللؤلؤ، ولا يحل 4 لكافر يجد ريح نفسه إلا مات، ونفسه ينتهي حيث ينتهي طرفه، فيطلبه حتى يدركه بباب لد 5 فيقتله، ثم يأتي عيسى ابن مريم قوما قد عصمهم الله منه فيمسح عن وجوههم ويحدثهم عن درجاتهم في الجنة، فبينما هو كذلك إذ أوحى الله تعالى إلى عيسى إني قد أخرجت عبادا لي لا يدان6. لأحد بقتالهم فحرز7 عبادي إلى الطور، ويبعث الله يأجوج ومأجوج وهم من كل حدب ينسلون، فيمر أوائلهم على بحيرة الطبرية فيشربون ما فيها، ويمر آخرهم فيقولون لقد كان بهذه مرة ماء،
No commentary chosen. Pick one or more from the list above.
Commentaries by classical hadith scholars. The Arabic texts are shown as published.