Musnad Ahmad 16144
حديث أبي سريحة الغفاري (1) حذيفة بن أسيدNot graded under this archive's policy. The verdicts recorded are listed.
حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، عن فرات، عن أبي الطفيل، عن حذيفة بن أسيد الغفاري، قال: أشرف علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم من غرفة ونحن نتذاكر الساعة، فقال: " لا تقوم الساعة حتى ترون عشر آيات: طلوع الشمس من مغربها، والدخان، والدابة، وخروج يأجوج، ومأجوج، وخروج عيسى ابن مريم والدجال، وثلاث خسوف: خسف بالمغرب، وخسف بالمشرق، وخسف بجزيرة العرب، ونار تخرج من قعر عدن تسوق - أو تحشر الناس، تبيت معهم حيث باتوا، وتقيل معهم حيث قالوا "
No translation yet. Arabic only.
AI draft, not reviewed by an editor. Read the Arabic for the meaning.
Hadith commentary (sharh)
No commentary matches.
হাদিসের ব্যাখ্যা ও তাত্ত্বিক পর্যালোচনা
ধ্রুপদী শরাহগ্রন্থ ও সনদ পর্যালোচনার আলোকে সংকলিত[সংকলন ও সূত্র]: এটি মুসনাদে আহমাদ-এর 16144 নম্বর হাদিস।
[মূল বিষয়বস্তু]: কিয়ামত (আস-সাআহ) হলো সেই মুহূর্ত, যখন এই পৃথিবীর সমাপ্তি ঘটবে। সব প্রাণী মারা যাবে, মহাবিশ্বের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে, তারপর আসবে পুনরুত্থান। কুরআনে বারবার এর কথা এসেছে, আর নবী ﷺ এর আগের আলামতগুলোর কথা বলে গেছেন।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: এটি হঠাৎ আসবে, মানুষ যখন নিজের কাজে ব্যস্ত: কেউ কাপড় বিক্রি করছে, কেউ পশুর পানির হাউজ মেরামত করছে, কেউ খাবার মুখে তুলছে, কেউই কাজ শেষ করতে পারবে না। এর আগে আসবে আলামত: ছোট আলামত যা ধীরে ধীরে ছড়ায়, আর দশটি বড় আলামত যা কাছাকাছি সময়ে ঘটবে।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: একমাত্র আল্লাহই জানেন। কুরআন বলে এর জ্ঞান কেবল তাঁর কাছে, আর জিবরিল (আ.) যখন নবী ﷺ-কে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি বললেন: যাকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, সে প্রশ্নকারীর চেয়ে বেশি জানে না। কোনো তারিখ বা কাউন্টডাউন এর সাথে সাংঘর্ষিক।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, 'কিয়ামত কবে?' নবী ﷺ পাল্টা জিজ্ঞেস করলেন, 'তুমি এর জন্য কী প্রস্তুতি নিয়েছ?' আসল প্রশ্ন তারিখ নয়, আমাদের নিজের প্রস্তুতি।
[মূল বিষয়বস্তু]: দাজ্জাল (আল-মাসীহ আদ-দাজ্জাল, মিথ্যা মাসীহ) একজন নির্দিষ্ট মানুষ, যে শেষ সময়ে আবির্ভূত হয়ে নিজেকে রব দাবি করবে। প্রত্যেক নবী তাঁর উম্মতকে তার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন, আর নবী ﷺ বলেছেন, আদম (আ.)-এর সৃষ্টি থেকে কিয়ামত পর্যন্ত এর চেয়ে বড় ফিতনা নেই।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: সে এক যুবক, খাটো-মোটা গড়নের, ঘন কোঁকড়া চুল, ডান চোখ কানা, যেন ভেসে থাকা আঙুর। তার দুই চোখের মাঝে লেখা থাকবে কাফ-ফা-রা (কাফির), যা প্রত্যেক মুমিন পড়তে পারবে, লেখাপড়া জানুক বা না জানুক। সে জান্নাত ও জাহান্নামের মতো কিছু নিয়ে আসবে, কিন্তু তার জান্নাত আসলে আগুন আর তার আগুন আসলে শীতল পানি। সে আকাশকে বৃষ্টি দিতে বললে বৃষ্টি হবে। সে চল্লিশ দিন থাকবে: একদিন এক বছরের মতো, একদিন এক মাসের মতো, একদিন এক সপ্তাহের মতো, বাকিগুলো সাধারণ দিনের মতো। সে মক্কা ও মদিনায় প্রবেশ করতে পারবে না।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: বর্ণিত ক্রমে সে বড় আলামতগুলোর প্রথম। রোমানদের সাথে মহাযুদ্ধ ও কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের পরে সে আসবে, আর ঈসা (আ.) তাকে লুদের ফটকে হত্যা করবেন।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: সূরা কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করুন, জুমার দিন সূরা কাহফ পড়ুন, আর প্রতি নামাজে সালামের আগে দাজ্জালের ফিতনা থেকে আল্লাহর আশ্রয় চান। যে তার কথা শুনবে, সে যেন তার থেকে দূরে থাকে।
[মূল বিষয়বস্তু]: মারইয়ামের পুত্র ঈসা (আ.)-কে হত্যা বা শূলে চড়ানো হয়নি; আল্লাহ তাঁকে নিজের কাছে তুলে নিয়েছেন। শেষ যুগে তিনি আবার অবতরণ করবেন, দাজ্জালকে হত্যা করবেন এবং মুহাম্মাদ ﷺ-এর শরিয়ত অনুযায়ী ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে শাসন করবেন।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: তিনি দামেস্কের পূর্ব দিকের সাদা মিনারের কাছে অবতরণ করবেন, পরনে জাফরান রঙের দুটি কাপড়, দুই ফেরেশতার ডানায় হাত রেখে। মাথা নিচু করলে মুক্তার মতো ফোঁটা ঝরবে। তিনি লুদের ফটকে দাজ্জালকে পেয়ে হত্যা করবেন। তিনি ক্রুশ ভাঙবেন, শূকর হত্যা করবেন, জিযিয়া তুলে দেবেন, সম্পদ এত বেশি হবে যে কেউ নেবে না। তিনি কিছুকাল পৃথিবীতে থাকবেন, বিয়ে করবেন, তারপর মারা যাবেন এবং মুসলিমরা তাঁর জানাজা পড়বে।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: তিনি অবতরণ করবেন দাজ্জালের চল্লিশ দিনের মধ্যে, মুসলিমরা যখন নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছে, আর তাঁর সময়েই ইয়াজুজ-মাজুজ বের হবে।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: নবী ﷺ বলেছেন: তোমাদের মধ্যে যে তাঁর সাক্ষাৎ পাবে, সে যেন তাঁকে আমার সালাম পৌঁছে দেয়।
[মূল বিষয়বস্তু]: ইয়াজুজ-মাজুজ (গগ ও ম্যাগগ) আদম সন্তানদেরই দুটি বিশাল জাতি, যাদের যুলকারনাইন লোহা ও তামার এক প্রাচীর দিয়ে আটকে রেখেছিলেন। শেষ সময়ে সেই প্রাচীর ভেঙে যাবে এবং তারা পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: তারা প্রতিটি উঁচু ভূমি থেকে নেমে আসবে। তাদের প্রথম দল তিবেরিয়াস হ্রদের পানি পান করে শেষ করবে, আর শেষ দল এসে বলবে 'এখানে একসময় পানি ছিল'। কেউ তাদের সাথে লড়তে পারবে না, তাই আল্লাহ ঈসা (আ.)-কে মুমিনদের নিয়ে তূর পাহাড়ে আশ্রয় নিতে বলবেন। ঈসা ও তাঁর সঙ্গীরা দোয়া করবেন, আল্লাহ তাদের ঘাড়ে পোকা পাঠাবেন, এক রাতেই সবাই মারা যাবে। পাখিরা লাশ সরিয়ে নেবে, আর বৃষ্টি পৃথিবী ধুয়ে পরিষ্কার করবে।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: দাজ্জাল নিহত হওয়ার পর, ঈসা (আ.)-এর যুগে তারা বের হবে। এটি দশটি বড় আলামতের একটি।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: যয়নব (রা.) জিজ্ঞেস করলেন, 'আমাদের মধ্যে নেককার থাকতেও কি আমরা ধ্বংস হব?' তিনি বললেন, 'হ্যাঁ, যখন পাপাচার বেড়ে যাবে।' প্রকাশ্য পাপ থেকে সমাজকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।
[মূল বিষয়বস্তু]: তিনটি বড় ভূমিধস (খুসুফ): একটি পূর্বে, একটি পশ্চিমে, আর একটি আরব উপদ্বীপে। পুরো এলাকা মাটিতে দেবে যাবে।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: হাদিসে এগুলোকে দশটি বড় আলামতের তিনটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, বিস্তারিত বর্ণনা নেই। আলাদা একটি সহিহ হাদিসে বর্ণিত আছে, এক বাহিনী কাবায় আক্রমণের জন্য রওনা হবে এবং মরুভূমির এক প্রান্তরে (আল-বাইদা) মাটিতে দেবে যাবে।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: এগুলো দশটি বড় আলামতের অন্তর্ভুক্ত, যা শেষ সময়ে কাছাকাছি ঘটবে।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: নবী ﷺ প্রবল বাতাস বা কালো মেঘ দেখলে তাঁর চেহারা বদলে যেত, আর তা কেটে না যাওয়া পর্যন্ত তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন।
[মূল বিষয়বস্তু]: একদিন সকালে সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উঠবে। মানুষ তা দেখে সবাই ঈমান আনবে, কিন্তু আগে থেকে যার ঈমান ছিল না, তখনকার ঈমান তার কোনো কাজে আসবে না, আর তওবার দরজা বন্ধ হয়ে যাবে।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: কুরআন বলে: 'যেদিন তোমার রবের কিছু নিদর্শন আসবে, সেদিন কারো ঈমান কাজে আসবে না, যদি সে আগে ঈমান না এনে থাকে।' নবী ﷺ ব্যাখ্যা করেছেন, এটি হলো সূর্যের অস্তের স্থান থেকে উদয়।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: শেষ আলামতগুলোর মধ্যে প্রথম প্রকাশ পাবে পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়, অথবা পূর্বাহ্নে দাব্বাহর আবির্ভাব; যেটিই আগে আসুক, অন্যটি তার পরপরই আসবে।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: আল্লাহ রাতে হাত বাড়িয়ে দেন দিনের পাপীর জন্য, আর দিনে হাত বাড়িয়ে দেন রাতের পাপীর জন্য, যতক্ষণ না সূর্য পশ্চিম থেকে ওঠে। আজই তওবা করুন।
[মূল বিষয়বস্তু]: দশটি বড় আলামতের শেষটি: ইয়েমেন থেকে, আদনের গভীর থেকে বের হওয়া এক আগুন, যা মানুষকে তাদের সমবেত হওয়ার স্থানের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে।
[বর্ণিত বৈশিষ্ট্য]: আগুনটি মানুষের সাথে থাকবে, তারা যেখানে রাত কাটায় ও দুপুরে বিশ্রাম নেয় সেখানেও, এবং তাদের সামনে এগিয়ে দেবে। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত আছে, মানুষ দলে দলে, কখনো এক উটে দুই-তিন বা দশজন চড়ে সমবেত হওয়ার ভূমির দিকে যাবে, আলেমদের মতে সেটি শাম।
[সময়কাল ও প্রেক্ষাপট]: দশটি বড় আলামতের মধ্যে এর নাম সবশেষে এসেছে, আর একে কিয়ামতের আগের শেষ আলামত হিসেবে গণ্য করা হয়।
[আমলি দিকনির্দেশনা]: প্রতিটি আলামত মনে করিয়ে দেয়, আমলের সময় এখনই।
[ভৌগোলিক স্থান]: এই বর্ণনায় বর্ণিত স্থান : এডেন।
Scholarly Commentary & Context
Synthesized commentary, isnad grading & cross-references[Collection & Reference]: Narration #16144 in Musnad Ahmad.
[Core Subject]: The Hour (al-Sa'ah) is the moment this world ends. Everything alive dies, the universe is undone, and then comes the resurrection. The Quran mentions it again and again, and the Prophet ﷺ spoke of the signs that come before it.
[Described Characteristics]: It comes suddenly, while people are busy with their lives: one man is selling cloth, another is fixing his water trough, another is lifting food to his mouth, and none of them finishes. Before it come signs, small ones that spread slowly and ten great ones that come close together.
[Timeline & Context]: Only Allah knows. The Quran says its knowledge is with Him alone, and when Jibril asked the Prophet ﷺ, he answered: the one asked knows no more than the one asking. Any date or countdown contradicts this.
[Prophetic Practice]: A man asked, 'When is the Hour?' The Prophet ﷺ asked back, 'What have you prepared for it?' The real question is our own preparation, not the date.
[Core Subject]: The Dajjal (al-Masih al-Dajjal, the false messiah) is a single man who will appear near the end and claim to be God. Every prophet warned his people about him, and the Prophet ﷺ called his trial the greatest from the creation of Adam until the Hour.
[Described Characteristics]: He is a young man, stocky, with thick curly hair, blind in his right eye, which looks like a floating grape. Between his eyes is written ka-fa-ra (kafir), which every believer can read, literate or not. He brings what looks like paradise and hell, but his paradise is fire and his fire is cool water. He orders the sky to rain and it rains. He stays forty days: one like a year, one like a month, one like a week, the rest like ordinary days. He cannot enter Makkah or Madinah.
[Timeline & Context]: In the narrated order he is the first of the great signs. He comes after the great battle with the Romans and the conquest of Constantinople, and Isa (AS) kills him at the gate of Lud.
[Prophetic Practice]: Memorise the first ten verses of Surah al-Kahf, read al-Kahf on Fridays, and in every prayer before the salam ask Allah's refuge from the trial of the Dajjal. Whoever hears of him should keep away from him.
[Core Subject]: Isa (Jesus, AS), son of Maryam, was not killed or crucified; Allah raised him up. Near the end of time he descends again, kills the Dajjal, and rules by the law of Muhammad ﷺ as a just ruler.
[Described Characteristics]: He descends at the white minaret east of Damascus, wearing two saffron-dyed garments, his hands on the wings of two angels. When he lowers his head, drops fall like pearls. He finds the Dajjal at the gate of Lud and kills him. He breaks the cross, kills the pig, abolishes the jizyah, and wealth becomes so plentiful no one accepts it. He lives on earth for a time, marries, then dies and the Muslims pray over him.
[Timeline & Context]: He descends during the Dajjal's forty days, just as the Muslims are getting ready for prayer, and Ya'juj and Ma'juj come out in his time.
[Prophetic Practice]: The Prophet ﷺ said: whoever of you meets him, convey my salam to him.
[Core Subject]: Ya'juj and Ma'juj (Gog and Magog) are two huge peoples, descendants of Adam, held back behind a barrier of iron and copper that Dhul-Qarnayn built. Near the end the barrier gives way and they pour out across the earth.
[Described Characteristics]: They come down from every height. Their first ranks drink Lake Tiberias dry, and the last say 'there was water here once'. No one can fight them, so Allah tells Isa (AS) to take the believers up Mount Tur. Isa and his companions pray, Allah sends worms into their necks, and they all die in one night. Birds carry the bodies away and a rain washes the earth clean.
[Timeline & Context]: They come out after the Dajjal is killed, in the time of Isa (AS). It is one of the ten great signs.
[Prophetic Practice]: When Zaynab asked, 'Will we be destroyed while there are righteous among us?', he said, 'Yes, if filth increases.' Guarding against open evil is our part.
[Core Subject]: Three great collapses of the earth (khusuf): one in the east, one in the west, and one in the Arabian Peninsula. Whole areas will sink into the ground.
[Described Characteristics]: The narration names them as three of the ten great signs and gives no further detail. A separate sahih narration describes an army that marches to attack the Ka'bah and is swallowed by the earth in a desert plain (al-Bayda').
[Timeline & Context]: They are among the ten great signs, which come close together near the end.
[Prophetic Practice]: When the Prophet ﷺ saw a strong wind or dark cloud, his face changed and he turned to Allah in dua until it passed.
[Core Subject]: One morning the sun will rise from the west. When people see it, everyone will believe, but faith that was not there before will no longer help, and the door of repentance closes.
[Described Characteristics]: The Quran says: 'On the day some of your Lord's signs come, no soul will benefit from its faith if it had not believed before.' The Prophet ﷺ explained that this is the rising of the sun from its place of setting.
[Timeline & Context]: The first of the last signs to appear is either the sun rising from the west or the Beast coming out in the forenoon; whichever comes first, the other follows soon after.
[Prophetic Practice]: Allah stretches out His hand by night for the one who sinned by day, and by day for the one who sinned by night, until the sun rises from the west. Repent today.
[Core Subject]: The last of the ten great signs: a fire that comes out of Yemen, from the depths of Aden, and drives people to the place of their gathering.
[Described Characteristics]: The fire stays with people where they stop for the night and where they rest at midday, moving them on. Sahih al-Bukhari describes people gathered in groups, some riding two or three or ten on one camel, toward the land of the gathering, which scholars identify as Sham.
[Timeline & Context]: It is named last among the ten great signs, and is taken as the final sign before the Hour.
[Prophetic Practice]: Each of these signs is a reminder that the time for deeds is now.
[Geographical Locations]: Mentioned in narration : Aden.
Fayd al-Qadir : al-Munawi
Abd al-Ra'uf al-Munawi (d. 1031 AH) · al-Jami' al-Saghir2006 -
«إن الساعة»
أي القيامة «لا تقوم حتى تكون»
أي يوجد فتكون تامة «عشر آيات»
أي علامات بل أكثر من ذلك بكثير كما في أخبار آخر وإنما اقتصر عليها هنا لأنها أكبرها (الدخان) بالتخفيف بدل من عشرا أو خبر مبتدأ محذوف وفي رواية يملأ ما بين المشرق والمغرب (والدجال) من الدجل وهو السحر أي المسيح فإنه سياح يقطع نواحي الأرض في زمن قليل (والدابة) التي تجلو وجه المؤمن بالعصي وتخطم أنف الكافر «وطلوع الشمس من مغربها»
لا يقدح فيه قول الهيوليين إن الفلكيات بسيطة لا تختلف ولا يتطرق إليها خلاف ما هي عليه لأنه لا مانع من انطباق منطقة البروج على معدل النهار بحيث يصير المشرق مغربا وعكسه «وثلاثة خسوف»
جمع خسف وخسف المكان ذهابه في الأرض وغيوبته فيها «خسف بالمشرق وخسف بالمغرب وخسف بجزيرة العرب»
مكة والمدينة واليمامة واليمن على ما حكي عن مالك رضي الله تعالى عنه سميت به لأنه يحيط بها بحر الهند وبحر القلزم ودجلة والفرات «ونزول عيسى»
عليه السلام من السماء إلى الأرض حكما عدلا «وفتح يأجوج ومأجوج»
أي سدهما - بالهمز - صنف من الناس «ونار تخرج من قعر عدن»
أي من أسفلها وأساسها قال في المصباح: قعر الشيء نهاية أسفله وعدن بالتحريك مدينة باليمن وقعرها أقصى أرضها «تسوق الناس»
وفي رواية ترحل الناس وفي أخرى تطرد الناس «إلى المحشر»
أي محل الحشر للحساب وهو الشام قال الخطابي: هذا قبل قيام الساعة يحشر الناس أحياء إلى الشام بدليل قوله
وهذا الحشر آخر الأشراط كما في مسلم وما ورد مما يخالفه مؤول. قال ابن حجر رحمه الله تعالى: ويترجح من مجموع الأخبار أن أول الآيات المؤذنة بتغيير أحوال العالم الأرضي الدجال فنزول عيسى عليه السلام فخروج يأجوج ومأجوج وكلها سابقة على طلوع الشمس وأولها المؤذن بغير أحوال العالم العلوي طلوع الشمس وخروج الدابة في يومه أو يقرب منه وأول أشراط الساعة نار تخرج من المشرق«تبيت معهم حيث باتوا وتقيل معهم حيث قالوا»
«حم م عد عن حذيفة بن أسيد»
بفتح الهمزة الغفاري أبي سريحة بمهملتين مفتوح الأولى صحابي بايع تحت الشجرة ومات بالكوفة وروى له الجماعة قال حذيفة: كان المصطفى صلى الله عليه وسلم في عرفة ونحن في أسفل منه فاطلع علينا فقال ما تذكرون؟ قلنا الساعة فذكره
Mirqat al-Mafatih : Mulla 'Ali al-Qari
Mulla 'Ali al-Qari (d. 1014 AH) · Mishkat al-Masabih[3] باب العلامات بين يدي الساعة وذكر الدجال
وفي نسخة: باب علامات، وقوله: بين يدي الساعة أي: قدامها، وأصله أن يستعمل في مكان يقابل صدر الشخص مما بين يديه، ثم نقل إلى الزمان، ثم قوله: وذكر الدجال من باب التخصيص بعد التعميم، وهو من دجل إذا ساح في الأرض، ويقال: دجل فلان الحق إذا أعطاه، وفي النهاية: أصل الدجال الخلط، يقال: دجل إذا لبس وموه، والدجال فعال من أبنية المبالغة، أي: يكثر منه الكذب والتلبيس، وهو الذي يظهر في آخر الزمان يدعي الإلهية.
الفصل الأول
5464 -
«عن حذيفة بن أسيد»
: بفتح الهمزة وكسر السين المهملة، ذكره ابن الملك، ولم يذكره المؤلف في أسمائه، (الغفاري) : بكسر الغين المعجمة نسبة إلى قبيلة منهم أبو ذر، «قال: اطلع»
: بتشديد الطاء أي: أشرف «النبي - صلى الله تعالى عليه وسلم - علينا»
أي: وشرفنا بطلعة وجهه المشتمل على الخدين الغالب نورهما على طلوع القمرين ; حيث يستفاد منه ضياء الدارين، «ونحن نتذاكر»
أي: فيما بيننا، (فقال: " ما تذكرون؟ ") أي: بعضكم مع بعض، (قالوا) ، وفي نسخة قلنا «نذكر الساعة»
أي: أمر القيامة واحتمال قيامها في كل ساعة، (قال: " إنها لن تقوم حتى تروا قبلها عشر آيات ") أي: علامات (" فذكر ") أي: النبي - صلى الله تعالى عليه وسلم - بيانا للعشر (" الدخان ") : قال الطيبي - رحمه الله: هو الذي ذكر في قوله تعالى: {يوم تأتي السماء بدخان مبين} الدخان: 10 ، وذلك في عهد رسول الله - صلى الله تعالى عليه وسلم - انتهى. ويؤيده ما قال ابن مسعود: هو عبارة عما أصاب قريشا من القحط، حتى يرى الهواء لهم كالدخان، لكن قال حذيفة: هو على حقيقته ; لأنه - صلى الله تعالى عليه وسلم - سئل عنه فقال: " «يملأ ما بين المشرق والمغرب يمكث أربعين يوما وليلة، والمؤمن يصير كالزكام، والكافر كالسكران» "، فقوله: يصير كالزكام أي: كصاحب، أو مصدر بمعنى المفعول أي: كالمزكوم، أو هو من باب المبالغة كرجل عدل، (" والدجال، والدابة ") : وهي المذكورة في قوله تعالى: {أخرجنا لهم دابة من الأرض تكلمهم} النمل: 82 ، (" وطلوع الشمس من مغربها ") ، قيل: للدابة ثلاث خرجات، أيام المهدي، ثم أيام عيسى، ثم بعد طلوع الشمس من مغربها، ذكره ابن الملك. (" «ونزول عيسى بن مريم عليه الصلاة والسلام» ") أي: المنضم إلى ظهوره المهدي الأعظم، فهو من باب الاكتفاء.
وقد روى الطبراني عن أوس مرفوعا " «ينزل عيسى بن مريم عند المنارة البيضاء شرقي دمشق» ". وروى الترمذي عن مجمع بن جارية مرفوعا: " «يقتل ابن مريم الدجال بباب لد» ": في النهاية: هو موضع بالشام، وقيل بفلسطين، كذا في شرح الترمذي للسيوطي، وفي القاموس: لد بالضم قرية بفلسطين، يقتل عيسى - عليه الصلاة والسلام - الدجال عند بابها، هذا وقد قيل: إن أول الآيات الدخان، ثم خروج الدجال، ثم نزول عيسى - عليه الصلاة والسلام - ثم خروج يأجوج ومأجوج، ثم خروج الدابة، ثم طلوع الشمس من مغربها، فإن الكفار يسلمون في زمن عيسى - عليه السلام - حتى تكون الدعوة واحدة، ولو كانت الشمس طلعت من مغربها قبل خروج الدجال ونزوله لم يكن الإيمان مقبولا من الكفار، قالوا ولمطلق الجمع فلا يرد أن نزوله قبل طلوعها، ولا ما سيأتي أن طلوع الشمس أول الآيات. (" ويأجوج ومأجوج ") : بألف فيهما ويهمز أي: خروجهما، (" وثلاثة خسوف ") :
قال ابن الملك: قد وجد الخسف في مواضع، لكن يحتمل أن يكون المراد بالخسوف الثلاثة قدرا زائدا على ما وجد، كأن يكون أعظم مكانا وقدرا (" خسف بالمشرق، وخسف بالمغرب، وخسف بجزيرة العرب ") : بالرفع في الثلاثة على تقدير أحدها أو منها، ولو روي بالجر لكان له وجه من البداية، (" وآخر ذلك ") أي: ما ذكر من الآيات «نار تخرج من اليمن»
، وفي رواية: تخرج من أرض الحجاز.
وقال القاضي عياض: لعلها ناران تجتمعان تحشران الناس، أو يكون ابتداء خروجها من اليمن، وظهورها من الحجاز، ذكره القرطبي - رحمه الله - ثم الجمع بينه وبين ما في البخاري: أن أول أشراط الساعة نار تخرج من المشرق إلى المغرب، بأن آخريتها باعتبار ما ذكر من الآيات، وأوليتها باعتبار أنها أول الآيات التي لا شيء بعدها من أمر الدنيا أصلا، بل يقع بانتهائها النفخ في الصور، بخلاف ما ذكر معها، فإنه يبقى مع كل آية منها أشياء من أمور الدنيا، كذا ذكره بعض المحققين من العلماء الموفقين. (" تطرد ") أي: تسوق تلك النار «الناس إلى محشرهم»
: بفتح الشين ويكسر أي: إلى مجمعهم، وموقفهم، قيل: المراد من المحشر أرض الشام، إذ صح في الخبر: إن الحشر يكون في أرض الشام، لكن الظاهر أن المراد أن يكون مبتدؤه منها، أو تجعل واسعة تسع خلق العالم فيها. …
Tahqiq, Takhrij & Scholarly Notes
Classical verification, rijal assessment & parallel cross-matchesالتخريج والمصدر: أخرجه مسند الإمام أحمد بن حنبل برقم (16144).
الكتاب والباب: حديث أبي سريحة الغفاري (1) حذيفة بن أسيد.
درجة الحديث: أورده المصنف في مسنده/مستدركه، ويُرجع في تحقيق أسانيده إلى شواهده في الكتب الستة وأقوال أئمة الجرح والتعديل.
من كلام الحافظ ابن كثير في «النهاية في الفتن والملاحم» حول هذا الباب: عشر آيات قبل قيام الساعة
وقد تقدم الحديث الذي رواه أحمد ومسلم وأهل السنن عن أبي شريحة حذيفة بن أسيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:
"لا تقوم الساعة حتى تروا عشر آيات طلوع الشمس من مغربها والدخان والدابة وخروج يأجوج ومأجوج، وخروج عيسى ابن مريم والدجال، وثلاثة خسوف خسفا بالمغرب وخسفا بالمشرق وخسفا بجزيرة العرب، ونارا تخرج من قعر عدن تسوق الناس أو تحشر الناس تبيت معهم حيث باتوا وتقيل معهم حيث قالوا".
ولمسلم من حديث العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال:
"بادروا بالأعمال الدجال والدخان ودابة الأرض وأمر العامة وخويصة أحدكم"1.
وروى ابن ماجه، عن حرملة، عن ابن وهب، عن عمرو بن الحرص، وابن لهيعة، عن يزيد بن أبي حبيب، عن سنان، عن سعد، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال:
"بادروا بالأعمال ستا طلوع الشمس من مغربها والدخان ودابة الأرض والدجال وخويصة أحدكم وأمر 2 العامة".
تفرد به ابن ماجه من هذا الوجه.
وقال أبو داود الطيالسي عن طلحة بن عمرو وجرير بن حازم، فأما طلحة فقال: أخبرني عبد الله بن عبيد الله بن عمر أن ابن الطفيل حدثه، عن حذيفة بن أسيد الغفاري أبي شريحة وأبي جرير فقال عن عبد الله بن عبيد عن رجل من آل عبد الله بن مسعود وحديث طلحة أتم وأحسن قال: ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الدابة فقال:
"لها ثلاث خرجات من الدهر فتخرج خرجة من أقصى البادية ولا يدخل ذكرها القرية يعني مكة، ثم تكمن زمنا طويلا ثم تخرج خرجة أخرى دون تلك فيعلو ذكرها في أهل البادية ويدخل ذكرها القرية يعني مكة".
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:
"ثم بينما الناس في أعظم المساجد على الله حرمة وأكرمها، المسجد الحرام لم يرعهم إلا وهي ترغو1 بين الركن والمقام، تنفض عن رأسها التراب فارفض الناس عنها شتى ومعا، وبقيت عصابة المؤمنين، وعرفوا أنهم لم يعجزوا الله فبدأت بهم فجلت وجوههم حتى جعلتها مثل الكوكب الدري وولت في الأرض لا يدركها طالب ولا ينجو منها هارب، حتى إن الرجل ليتعوذ فتأتيه من خلفه فتقول: يا فلان: الآن تصلي؟ فيقبل عليها فتسمه في وجهه، ثم تنطلق ويشترك الناس في الأموال، ويصطحبون في الأمصار، يعرف المؤمن من الكافر
حتى إن المؤمن ليقول: يا كافر اقضني حقي وحتى إن الكافر ليقول يا مؤمن اقضني حقي" 1.
وهكذا رواه مرفوعا من هذا الوجه بهذا السياق، وفيه غرابة، ورواه ابن جرير عن اليمان، مرفوعا، وفيه أن ذلك في زمان عيسى ابن مريم، وهو يطوف بالبيت، ولكن في إسناده نظر والله تعالى أعلم.
وقد قال ابن ماجه: حدثنا أبو غسان محمد بن عمر، حدثنا أبو نميلة، حدثنا ابن عبيد، حدثنا عبد الله بن
No commentary chosen. Pick one or more from the list above.
Commentaries by classical hadith scholars. The Arabic texts are shown as published.